• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

গোপালগঞ্জে গুলিবিদ্ধ রমজান ঢামেকে মারা গেছেন, এ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫

এম আকবর আলী ★ / ৪৬৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

শেয়ার করুন…………….
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সহিংসতার মধ্যে গুলিবিদ্ধ রমজান মুন্সী নামে আরও একজন মারা গেছেন। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রিকশাচালক রমজান। তিনি গোপালগঞ্জ সদরের থানাপাড়া এলাকার মৃত আকবর মুন্সীর ছেলে।

এ নিয়ে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন মারা গেলেন। ঘটনার দিন মারা যান–সোহেল মোল্লা, দীপ্ত সাহা, রমজান আলী ও ইমন তালুকদার।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক রমজান মুন্সীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপালগঞ্জের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ সুমন বিশ্বাস (৩০) ও আব্বাস আলী (৩০) নামে আরও দুজন ঢামেকে চিকিৎসাধীন।

রমজান মুন্সীর ভাই ইমরান মুন্সী বলেন, ‘আমার ভাই রিকশা চালাতো। সহিংসতার দিন দুপুর আড়াইটার দিকে রিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির করা দুটি গুলি তাঁর শরীরে লাগে। পরে বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো গেল না।

পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, রমজান মুন্সীর মৃত্যুর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এদিকে, গোপালগঞ্জ জেলা শহরের পরিস্থিতি এখনো অনেকটাই থমথমে। আজ শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে কারফিউ। তবে গতকালের চেয়ে আজ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গ্রেপ্তার আতংকে মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শহরের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে কাঁচা বাজার ও ওষুধের দোকান এবং ফলের দোকান খোলা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ছিল। তবে এতে কতজন আটক বা গ্রেপ্তার হয়েছে সে তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

গত বুধবার গোপালগঞ্জ সদরে পৌর পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপির সমাবেশ ঘিরে দিনভর দফায় দফায় হামলা, সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd