• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে।। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে নয় বিমসটেকের প্রধান হিসেবে দাওয়াত দিয়েছিল ভারত: রিজভী ঢাবি থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে মিছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হলো ঐতিহাসিক ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে তিন নদীর পানি, তলিয়েছে বহু গ্রাম কর পরিশোধ মামলার রায়, ইউনূসের সব অপকর্মের বিচারের পথ খুলে দিল? মা খুব কষ্ট হচ্ছে, ছাত্রের আকুতি আমাকে নিয়ে যাও’।। মাদ্রাসায় তিন মাস ধরে নিয়মিত শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ছাত্র একদিনেই সারাদেশে ৫০ টিরও বেশি স্থানে আ’লীগে বিক্ষোভ মিছিল ব্রিকস সম্মেলন: দুই যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে ভারতে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার ক্লু হাতে পেয়েছে পুলিশ: অতিরিক্ত ডিআইজি

রাজশাহী ব্যুরোচিফ ★ / ২৫০ Time View
Update : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন…………….
পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যাকাণ্ডের ক্লু হাতে পেয়েছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে এই মুহুর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মো.শামীম হোসেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে দাদি ও নাতনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শণে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ক্লু হাতে পেয়েছি। এই ক্লু ধরেই পুলিশের স্পেশাল একটি টিম এখন ঈশ্বরদীর বাইরে অবস্থান করছে। আরেকটি টিম আসামি ধরতে অভিযানে রয়েছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে প্রকৃত আসামি ধরতে পারব।’

এর আগে তিনি হত্যাকাণ্ডের এলাকা পরিদর্শণ, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি আরো বলেন, ‘লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। এতে মনে হয়েছে, ঘটনার রাতে দাদি হয়তো নাতনিকে বাঁচাতে তাদের বাধা দিয়েছে ও ধস্তাধস্তি হয়েছে। পরে নাতনিকে জোর করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পরে হত্যা করেছে, যা প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ঘটনার ক্লু হাতে পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই বলা যাচ্ছে না। আশা করা যাচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যে আসামি ধরতে পারব।’

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতের পর কোনো এক সময় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে তাদের মরদেহ পৃথক স্থানে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।

নিহতরা হলেন, ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়ার মৃত নাজিমুদ্দিন খাঁ’র স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) এবং তার নাতনী জামিলা আক্তার (১৫)। জামিলার পিতার নাম জয়নাল খাঁ। জামিলা উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা দশম শ্রেণীর ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। দাদি ও নাতনী একই বাড়িতে তারা দু’জনই থাকতেন। কোনো পুরুষ মানুষ বাড়িতে ছিল না।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এ সময় জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও মরদেহ উদ্ধার করে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd