• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম আদালত চলাকালে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক !

ভালো বাপ, ভালো স্বামী হতে পারিনি, ক্ষমা করিস’

যশোর থেকে ফিরে এসে আকবর আলী ★ / ২২৫ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন……………..
বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে শনিবার মধ্যরাতে দাফন হয়েছে যশোর কারাগারে বন্দি থাকা ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী গৃহবধূ কানিজ সুবর্ণা ও তার নয় মাস বয়সী শিশুসন্তানের।

কিন্তু এই দাফনের আগে শিশুটির পিতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের সাথে তার শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল যশোর কারাগারের গেইটে, যা নিয়ে তোলপাড় চলছে সারাদেশে। ক্ষোভ, অসন্তোষ আর অমানবিকতার অভিযোগে সয়লাব হয়েছে সামাজিক মাধ্যম।

“মৃত শিশু দেখা করতে গেছে, তার জীবিত পিতার সাথে”- কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের এমন একটি পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর এই লাইনটি ব্যবহার করে পোস্টার ও ফটোকার্ড বানিয়ে শেয়ার করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বহু মানুষ।

তবে ব্যাপক ক্ষোভ, অসন্তোষের পাশাপাশি কেউ কেউ আবার সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন ‘আওয়ামী লীগ আমলেও এমন বা এর চেয়ে বেশি অমানবিক ঘটনা ঘটেনি’।

দৈনিক বিজয় একাত্তর কে সাদ্দামের ভাই মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেছেন, “বাচ্চাকে জীবিত অবস্থায় কোলে নিতে পারেননি বলে কারাগারের গেইটেও আমার ভাই তাকে আর কোলে নেয়নি। শুধু মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছে-আমি ভালো বাপ হতে পারিনি, বাপ ক্ষমা করিস”।

তিনিসহ মোট নয়জন শনিবার যশোর কারাগারের গেইটে নিহত স্ত্রী ও সন্তানের সাথে সাদ্দামের শেষ সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পরিবারের সদস্যরা সাদ্দামের প্যারোলের আবেদন নিয়ে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কাছে গেলেও সেখান থেকে আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ না করেই তাদের পাঠানো হয় কারা প্রশাসনের কাছে।

বাগেরহাট কারা প্রশাসন থেকেই লাশ নিয়ে তাদের যশোর কারাগারের গেইটে গেলে  সাদ্দামের সাথে দেখা করানো যাবে-এমন আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আব্দুল বাতেন বলছেন, পরিবারের সদস্য তাদের কাছে যাওয়ার পর তারা বুঝিয়ে বলেছিলেন যে আবেদন করতে হবে যশোরে জেল সুপার কিংবা জেলা প্রশাসকের কাছে।

“বাগেরহাটের জেল সুপার যশোর কারাগারের সাথে আলোচনাও করেছে। তারা সে অনুযায়ী সাক্ষাতের জন্য যশোরে গেছে। আমরা সহযোগিতা করেছি,” দৈনিক বিজয় একাত্তর কে বলেছেন তিনি।

অন্যদিকে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান দৈনিক বিজয় একাত্তর কে বলেছেন, তারা এ ধরনের কোনো আবেদনই পাননি।

যদিও মানবাধিকার সংগঠকরা বলছেন, পুরো ঘটনায় রাষ্ট্রের একটি ‘অমানবিক চেহারার’ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে মনে করেন তারা।

তাদের মতে, আবেদনের প্রক্রিয়ার নামে কয়েক ঘণ্টা সময় নষ্ট করে পরিবারকে জেল গেইটে গিয়ে লাশ দেখানোর পরামর্শ দেওয়া এক ধরনের ‘নিষ্ঠুরতা’।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd