শেয়ার এবং ফলো করুন……………..
নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে জেল থেকে পলাতক আসামিরা। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে পালানো বন্দিদের মধ্যে ৭ শতাধিক গ্রেপ্তার হয়নি এখনো। তাদের মধ্যে রয়েছে খুন-ধর্ষণ-জঙ্গিবাদ সহ নানা অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।
নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে জেল থেকে পলাতক আসামিরা। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে পালানো বন্দিদের মধ্যে ৭ শতাধিক গ্রেপ্তার হয়নি এখনো। তাদের মধ্যে রয়েছে খুন-ধর্ষণ-জঙ্গিবাদ সহ নানা অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।
এ ছাড়া এখনও উদ্ধার হয়নি কারাগার থেকে লুট হওয়া ২৭টি অস্ত্র। নিরাপত্তার খাতিরে দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের তাগিদ বিশ্লেষকদের।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগে-পরে দেশের ১৭টি কারাগারে দেখা দেয় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা। নরসিংদী, শেরপুর ও সাতক্ষীরার কারাগার থেকে পালিয়ে যান সব বন্দি।
নরসিংদী কারাগারে হামলা-ভাঙ্চুর-আগুনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ৮২৬ জন কয়েদি পালান। শেরপুরে জেল ভেঙে ৫০০ ও সাতক্ষীরা থেকে ৬০০ বন্দি পালান। এছাড়া কুষ্টিয়ায় ১০৫ কারাবন্দী এবং কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়ে যান হত্যা মামলার ২০০ আসামি।
ওইসময় দেশের বিভিন্ন স্থানে জেল পলাতক মোট বন্দির সংখ্যা ২ হাজার ২৩২ জন। পরে ১ হাজার ৫১৯ জন গ্রেপ্তার হলেও এখনো ফেরারি ৭১৩ জন। গণঅভ্যুত্থানের সময় কারাগারে লুট হয় চাইনিজ রাইফেল, শটগানসহ ৬৭টি অস্ত্র। এর মধ্যে ২৭টি অস্ত্রের খোঁজ মেলেনি এখনো।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, দুই হাজারের বেশি বন্দি পালিয়ে যায়। নরসিংদী ও শেরপুরের সব বন্দি পালিয়ে যায়। পরে কেউ কেউ নিজেরা আত্মসমর্পণ করেছে, কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে। এরা শুধু জঙ্গি না, এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আছেন, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আছেন এবং আছেন জঙ্গি।
পলাতক বন্দিদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ, মাদকসহ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তারা ধরাছোয়ার বাইরে থাকায় নির্বাচন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা বিশ্লেষকদের।
সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, এরা কারাগারের বাইরে থাকা মানে সেটা নির্বাচনের জন্য চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্যও এদের বাইরে থাকাটা চ্যালেঞ্জ।
দেড় বছরে একাধিক অভিযানের পরেও পলাতক সব কয়েদিকে ফের গ্রেপ্তার বা লুটের সব অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি।