• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

সরকার পতন সম্ভব নয় : ইরান ইস্যুতে ইসরায়েলের অসহায় স্বীকারোক্তি !

বিজয় একাত্তর অনলাইন ডেক্স ★ / ১৯৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন.. …………..
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বাধীন সরকারকে পতনের দিকে ঠেলে দেবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। পর্দার আড়ালে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই বাস্তবতা স্বীকার করে নিয়েছেন। একজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা এ তথ্য বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানে চলমান বোমাবর্ষণের মধ্যেও কোনো গণঅভ্যুত্থানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে। তবে ইসরায়েলের মূল্যায়ন, ওয়াশিংটন এখনও সংঘাত শেষ করার কাছাকাছি অবস্থায় নেই। ইসরায়েলের অন্তত দু’জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বহু জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। এতে বহু বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন। অসংখ্য ঘরবাড়ি ও সরকারি ভবন ধ্বংস হয়েছে, যা ইরানিদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ধারণা করেছিল, তারা আক্রমণ শুরু করলেই ইরানিরা রাজপথে নেমে সরকার পতন ঘটাবে। কিন্তু আদতে তা হচ্ছে না। অর্থনৈতিক সংকট এবং সরকারের প্রতি নানা ইস্যুতে ক্ষোভ থাকলেও দেশের ক্রান্তিকালে ইরানি বর্তমান শাসকদেরই সমর্থন দিচ্ছেন। ফলে সরকার পতনের লক্ষ্য নিয়ে হামলা শুরু করলেও এখন অনেকটাই হার মেনে নিয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ বিমান হামলা শুরুর দিনই দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘আমাদের যৌথ পদক্ষেপ সাহসী ইরানি জনগণকে তাদের ভাগ্য নিজের হাতে নেয়ার পরিবেশ তৈরি করবে।’

গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দেয়া এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু আবারও বলেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য ইরানি জনগণকে ‘স্বৈরাচারের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে সহায়তা করা’ হলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে। তার এই ‘আকুতি’ শুনে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানে নিকট ভবিষ্যতে কোনো গণঅভ্যুত্থানের সম্ভাবনা কম।

এদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে শুরুতে ‘দুর্বল’ আখ্যা দিলেও পরে তাকে নিয়ে বিশেষ কোনো মন্তব্য করেননি ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন যুদ্ধ শেষের উপায় খুঁজছেন বলে মত বিশ্লেষকদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd