
সংগৃহীত ছবি
সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সাদেকপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয় এি জামায়াতের কর্মী কে।
পরে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিনভর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমঝোতা না হওয়ায় তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক সুজন আকন একই গ্রামের কবির আকনের ছেলে। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে হাওলাদার বাড়িতে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠক হয়। ওই বৈঠক থেকেই সৌদি আরবপ্রবাসী ফারুক হাওলাদারের স্ত্রী মিতু বেগমের সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফারুক হাওলাদার প্রবাসে থাকার সুযোগে মিতু বেগমের সঙ্গে সুজনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এর আগে একবার পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে এরপরও তাদের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
তারা আরো জানান, শ্বশুরবাড়ির চাপে মিতু বেগমের ফোন ব্যবহার বন্ধ থাকায় সুজন তাকে নতুন একটি মোবাইল ফোন কিনে দেন। পরে বিষয়টি মিতুর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নজরে আসে।
সোমবার রাতে মিতু বেগম সুজনকে বাড়িতে আসতে বলেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা বাড়ির একটি কক্ষে তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখতে পান এবং আটক করেন।
আটকের বিষয়টি স্বীকার করে সুজন আকন বলেন, ‘সে (মিতু) আমার দূরসম্পর্কের ভাবি। তার কথা শুনে রাতে বাড়িতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফারুক হাওলাদার প্রায় সাত বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তিন বছর আগে দেশে ফিরে তিনি চানপুর মোল্লা স্টেশন এলাকার মিতু বেগমকে বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তান জন্মের পাঁচ দিন পর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে ফারুক আবার সৌদি আরবে চলে যান। এরপর থেকেই সুজনের সঙ্গে মিতুর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এ বিষয়ে সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি সেলিম শিকদার বলেন, ‘আটক সুজন সংগঠনের কেউ নন। সভা-সমাবেশে অনেক মানুষ আসে, ছবি তোলে। একটি ছবি থাকা মানেই সে সংগঠনের নেতা বা কর্মী হয়ে যায় না।