• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমানের পদত্যাগ !

বিজয় একাত্তর ডেক্স ★ / ২৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন………………..
রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে তিনি এই পদত্যাগপত্র পাঠান। তবে এক বছর ধরে তিনি বিচার কাজের বাইরে আছেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের একটি সূত্র জানিয়েছে, এদিন রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে এসেছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, বিচারপতি মামনুন রহমান নিজেই ই-মেইলে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্টার জেনারেলকে পদত্যাগপত্র পাঠান।

বিচারপতি মামনুন রহমান ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিদেশে পাড়ি জমান। এরপর থেকে তিনি দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এর আগে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অপসারণ করা হয়।

২০২৪ সালের পাঁচ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিলো। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচারপতি এখন আর দায়িত্বে নেই। তাদের কেউ কেউ সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্তের পর বাধ্যতামূলক অবসরে, কেউ কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ, আবার কেউ কেউ অবসরে চলে গেছেন। বাকি তিন জন বিচারপতি পদে থাকলেও বেঞ্চের দায়িত্বে বা বিচারিক কাজে নিয়োজিত নেই।

এছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল হওয়ায় বিচারপতি এম আর হাসানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছুটিতে পাঠানো মোট ১৩ বিচারপতির বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের আরও দুই বিচারপতি স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তাদের একজন বিচারপতি মামনুন রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd