• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরব,প্রশ্ন কখন নয়, কীভাবে’: এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারেক রহমানের জাতিসংঘের সফর সংক্ষিপ্ত ‘ককটেল হামলার’ জন্য পাটওয়ারীর গ্রেপ্তার চান যুবদল সভাপতি অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আর্থিক লেনদেনে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক হাসিনার সময়ে জ্বালানির দাম বাড়লে পদত্যাগ চাইতাম, এখন চাওয়া উচিত হবে না: ডা. জাহেদ বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে।। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে নয় বিমসটেকের প্রধান হিসেবে দাওয়াত দিয়েছিল ভারত: রিজভী ঢাবি থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে মিছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

ড. ইউনুসের সরকারি সফর হলে স্টারমার সাক্ষাৎ দিলেন না কেন … বিবিসির উপস্থাপক

বিজয় একাত্তর ডেক্স ★ / ২০৫ Time View
Update : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

শেয়ার করুন………..
যুক্তরাজ্যে চার দিনের সফরকে ‘সরকারি সফর’ বলা হলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কেন সাক্ষাৎ দিলেন না, সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে। গত ১২ জুন ‘কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ নিতে যাওয়ার আগে বিবিসির সাংবাদিক রাজিনি বৈদ্যনাথন তাকে ওই প্রশ্ন করেন। স্টারমার দেখা না করায় ড. ইউনূস কতটা হতাশ–তাও জানতে চান বিবিসির এই সাংবাদিক।

রাজিনি বৈদ্যনাথনের প্রশ্ন এবং ড. ইউনূসের উত্তরের অডিও শোনানো হয় বিবিসির ‘দ্য ওয়ার্ল্ড টুনাইট’ অনুষ্ঠানে।

সেখানে বিবিসির উপস্থাপক ড. ইউনূসকে জিজ্ঞেস করেন, ‘এই সফরকে ‘সরকারি’ বলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর (কিয়ার স্টারমার) সঙ্গে কোনো বৈঠক নেই আপনার। তিনি জানতে চান, কেন কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে কোনো বৈঠক হলো না?

এই প্রশ্নের উত্তরের ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা উনার (কিয়ার স্টারমারের) সঙ্গে দেখা করতে খুবই আগ্রহী ছিলাম। হয়তো তিনি ব্যস্ত ছিলেন বা অন্য কোনো কারণে তা সম্ভব হয়নি।

তবে এতে করে আমার জন্য একটা বড় সুযোগও তৈরি হয়েছে। এখন যেহেতু তিনি ব্যস্ত, আমি তাকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে সময় কাটাতে পারব, যা ঘটছে তা দেখাতে পারব, এবং তিনি পুরো পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারবেন। এটা ইতিহাসের একটি বিশেষ মুহূর্ত, যার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি।
একভাবে বললে, আমরা অতীতকে পেছনে ফেলে এক নতুন ভবিষ্যতের সূচনা করছি।
এর পর রাজিনি বৈদ্যনাথন প্রশ্ন করেন, ‘আপনি বলছেন তিনি ব্যস্ত। কিন্তু আপনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, আপনি তার রাজনৈতিক সমমর্যাদার ব্যক্তি। যুক্তরাজ্যে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি এখানে, যুক্তরাজ্যে আছেন। ব্রিটিশ জীবনে বাংলাদেশি সংস্কৃতি গভীরভাবে মিশে আছে।

তাহলে আপনি কতটা হতাশ যে, যুক্তরাজ্যে আপনার কয়েক দিনের সফরে তিনি সময় বের করতে পারলেন না?’
উত্তরে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি জানি না আমি হতাশ হব, না তিনি। কোনো কারণে একটা সুযোগ হারাল, আমি জানি না। এজন্যই বলেছি, তার বাংলাদেশে আসা উচিত। একটু নির্ভার থাকবেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি উপলব্ধি করবেন, এই মুহূর্তের মর্ম বুঝতে পারবেন।

তবে বৈঠকের ব্যবস্থা না করার পেছনে কিয়ার স্টারমারের কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট কোনো কারণ জানিয়েছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার জানা মতে, তারা তেমন কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। হয়তো তিনি অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd