• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্ন তৈরি করছে?

এস এম আকবর আলী ★ / ৩৬৪ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

শেয়ার করুন এবং ফলো করুন………………
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে জোরেশোরে প্রচারণা চালাতে শুরু করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সাথে গণভোটের ভোটগ্রহণও করা হবে।

প্রধান উপদেষ্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের পেইজে গণভোটের ‘হ্যাঁ’- তে সিল দিন এ রকম একটি ফটোকার্ড শেয়ার করার পাশাপাশি ভিডিও চিত্রেও জনগণকে হ্যাঁ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ভিডিওচিত্রে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী, নিহতদের পরিবারের সদস্য, গুম কমিশনের সদস্যের বরাতে ‘হ্যাঁ’ ভোট কেন দিতে হবে সেটির ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

একইসাথে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কী পাওয়া যাবে সেটির বিস্তারিত উল্লেখ করে, ‘না’ ভোট দিলে কিছুই পাওয়া যাবে না এমন প্রচারণাও চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এমনকি ব্যাংক কর্মকর্তা, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের গণভোটে ‘হ্যা’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে একটি নির্বাচন আয়োজন করা, সেখানে গণভোটে একটি পক্ষে প্রচারণা চালানোয় কি সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে?

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার একটি নির্দিষ্ট পক্ষ বা অবস্থান নিলেও নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র গণভোটের বিষয়বস্তু এবং কিভাবে ‘ হ্যাঁ ‘ ‘ না ‘ ভোট দেওয়া যাবে সেই নির্দেশনা দিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে।

কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ডিসি, ইউএনও যারা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকবেন, তারা এই প্রচারণা করলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

বেগম জিয়া অধীনে বিএনপির নির্বাচনে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ চালু হয়
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্ন তৈরি করছে? দেশের সকল শ্রেনী পেশার সর্বসাধারণ নাগরিক সমাজ চায়ের দোকানে এখন গন ভোট নিয়ে আলোচনার তুমুল ঝড়ে পরিনত হয়েছে। এসব সমালোচনায় কি পাবে দেশের সাধার নাগরিক আর কি পাবেনা ?  এসব আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে।

যে চারটি বিষয়ের ওপর জাতীয় নির্বাচনের দিনে হবে গণভোট
গণভোটে তাদের অবস্থানের কারণে জাতীয় নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়বে এবং আইনানুযায়ী শাস্তির মুখেও পড়তে পারেন বলে জানান সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, সরকারের এমন প্রচারণা চালাতে আইনি বাধা নেই বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম দাবি করলেও আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আপাতদৃষ্টিতে আইনি বাধা না থাকলেও অতীতের অন্যান্য প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনও এর ফলে ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd