• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

ইরানজুড়ে জনসমুদ্রে নতুন নেতার প্রতি আনুগত্য

বিজয় একাত্তর অনলাইন ডেক্স ★ / ১৯৭ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন………… …….
ইরানের ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সোমবার এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী হলো গোটা দেশ। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায় সারা দেশজুড়ে আয়োজিত বিশাল সমাবেশগুলোতে লক্ষ লক্ষ ইরানি নাগরিক নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ মোজতবা খামেনির প্রতি তাদের অবিচল আনুগত্যের শপথ নিয়েছেন। শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়েছে দেশটি। যুদ্ধের দামামা আর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এই বিশাল গণজমায়েতকে তেহরানের শক্তির এক বড় প্রদর্শনী হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

তেহরানের ঐতিহাসিক এঙ্গেলাব (বিপ্লব) চত্বর থেকে শুরু করে ছোট-বড় প্রতিটি শহরেই ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ছাত্র-শিক্ষক, ধর্মীয় আলেম, বাসিজ সদস্য, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এই ‘শপথ অনুষ্ঠানে’ অংশ নেন।

সমাবেশে অংশ নেওয়া মানুষের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা, প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির প্রতিকৃতি, নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির ছবি। আর, আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘খোদার হাত আমাদের ওপর; খামেনেই আমাদের নেতা’।

আনুগত্য প্রকাশের পাশাপাশি এই সমাবেশ পরিণত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে এক বিশাল প্রতিবাদে। গত জুনের ১২ দিনের যুদ্ধ, ডিসেম্বরের অস্থিরতা এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানান বিক্ষোভকারীরা।

সমবেত জনতা উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করেন, তারা কোনোভাবেই শত্রুর কাছে নতি স্বীকার করবেন না। তাদের মতে, শত্রু আবারও ভুল অংক কষছে এবং তাদের পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ নিতে হবে। এই সমাবেশের মাধ্যমে ইরানিরা বিশ্বকে বার্তা দিয়েছেন, নেতৃত্বের পরিবর্তনে তাদের মনোবল বিন্দুমাত্র দমে যায়নি।

সোমবার ভোরে বিশেষজ্ঞ পরিষদ মোজতবা খামেনিকে ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৮৯ সালে ইমাম খোমেনির মৃত্যুর পর দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ইরানকে নেতৃত্ব দেয়া আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতের পর এই নিয়োগ দেওয়া হলো।

ইরানিদের ভালোবাসায় সিক্ত

বিশেষজ্ঞ পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং যুদ্ধের চাপের মধ্যেও তারা সর্বোচ্চ বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, যাতে দেশের নেতৃত্বে কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়।

যখন চতুর্দিক থেকে সামরিক হুমকির খবর আসছে, তখন তেহরানের রাজপথে এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভিত্তি এখনো কতটা মজবুত। মোজতবা খামেনির প্রতি এই ‘গণ-আনুগত্য’ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ইরানের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রতিরোধের এক নতুন সংকল্প।

তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd