• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

বাহরাইন ও আমিরাত দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান !

বিজয় একাত্তর অনলাইন ডেক্স ★ / ১৬৭ Time View
Update : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন.. ….………….
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এবার নতুন বারুদের গন্ধ! ইরানের জাতীয় টেলিভিশনে (আইআরআইবি) দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে দেশটির নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোর্তেজা সিমিয়ারি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, তেহরান এখন বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলরেখা দখলে নেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই অঞ্চলে কোনো ধরনের ভুল করে, তবে ইরানের সামরিক বাহিনী ত্বরিত ব্যবস্থা নেবে এবং পুরো অঞ্চলের মানচিত্রই বদলে দেবে। তিনি পরিস্কার অর্থে খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে মার্কিন পরিকল্পনা ও ট্রাম্পের অভিলাষের বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

সিমিয়ারি বেশ দাপটের সঙ্গেই জানিয়েছেন, আমিরাত এবং বাহরাইনের উপকূলে প্রবেশ করা এখন ইরানের এজেন্ডায় রয়েছে। এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এল যখন আরব দেশগুলোর সাথে ইরানের সম্পর্কের পারদ চরমে। কয়েক দিন আগেই আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ এক্সে এক পোস্টে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছিলেন, তারা কোনো সন্ত্রাসীর ব্ল্যাকমেইল সহ্য করবেন না।

মজার ব্যাপার হলো, এই কূটনৈতিক লড়াইয়ের নেপথ্যে রয়েছে ওয়াশিংটনের সাথে আমিরাতের ক্রমবর্ধমান মাখামাখি। আমিরাতের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ জানিয়েছেন, ইরানের ‘নগ্ন আগ্রাসনের’ কারণেই তারা ওয়াশিংটনের সাথে নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করছে।

তবে এই নীতির সমালোচনা করে সাবেক ফরাসি রাষ্ট্রদূত জেরার্ড আরাউড মন্তব্য করেছেন, এটি আসলে এমন একটি দেশের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো, যারা আমিরাতের স্বার্থের তোয়াক্কা না করেই তাদের এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মাঠের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইরান কেবল মার্কিন ঘাঁটি নয়, বরং প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত একাই ৩৩৮টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ১,৭৪০টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।

এক সময় সৌদি আরব এবং আমিরাত যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও, বর্তমানে তারা ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধের সুরেই সুর মেলাচ্ছে। রিয়াদ ইতিমধ্যেই তায়েফের কিং ফাহদ বিমানঘাঁটি মার্কিনীদের জন্য খুলে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাত তো এক ধাপ এগিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছে, তারা আগামী ৯ মাস পর্যন্ত এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত এবং যুদ্ধ থামানোর জন্য ওয়াশিংটনকে কোনো চাপই দেবে না।

সব মিলিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাতাস এখন কেবল তপ্তই নয়, বরং এক ভয়াবহ আঞ্চলিক পরিবর্তনের অপেক্ষায় স্তম্ভিত হয়ে আছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd