• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম

চট্টগ্রামে সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার

এম আকবর আলী , চট্রগ্রাম ঘুরে ★ / ৫২৪ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

শেয়ার করুন……………..
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সাহসী সেনানায়ক, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান ও বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম হারুন-অর-রশীদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (০৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম ক্লাবের আবাসিক কক্ষ থেকে দুপুরের দিকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৭৭ বছর।

চট্টগ্রাম ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে ক্লাবের গেস্টহাউসে একা অবস্থান করছিলেন সাবেক এই সেনাপ্রধান। সোমবার সকাল গড়িয়ে গেলেও কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় ক্লাব কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। দুপুর ১২টার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) চিকিৎসক দলের উপস্থিতিতে দরজা খুলে তাঁকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। সিএমএইচ টিমের সদস্যরা তাঁকে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন বিষয়টি সময়ের কন্ঠস্বরকে নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিনি গেস্টহাউসে একা ছিলেন। দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশ ও চিকিৎসকদের ডাকা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে ঘুমের মধ্যেই হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল করিম সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, ‘সিএমএইচ চট্টগ্রামের চিকিৎসক দল এসে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৪৮ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জন্মগ্রহণকারী এম হারুন-অর-রশীদ মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং যুদ্ধের মাঠে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন। তাঁর সামরিক ক্যারিয়ার শুধু কর্মদক্ষতার নয়, নেতৃত্ব, কৌশল এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

২০০০ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব ও কৌশলগত সক্ষমতায় এক নতুন মাত্রায় পৌঁছায়। তিনি শুধু একজন সামরিক কর্মকর্তা নন, ছিলেন রাষ্ট্রদর্শী, প্রাজ্ঞ কূটনীতিক এবং সাহসী সংস্কারক।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd