• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে।। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে নয় বিমসটেকের প্রধান হিসেবে দাওয়াত দিয়েছিল ভারত: রিজভী ঢাবি থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে মিছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হলো ঐতিহাসিক ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে তিন নদীর পানি, তলিয়েছে বহু গ্রাম কর পরিশোধ মামলার রায়, ইউনূসের সব অপকর্মের বিচারের পথ খুলে দিল? মা খুব কষ্ট হচ্ছে, ছাত্রের আকুতি আমাকে নিয়ে যাও’।। মাদ্রাসায় তিন মাস ধরে নিয়মিত শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ছাত্র একদিনেই সারাদেশে ৫০ টিরও বেশি স্থানে আ’লীগে বিক্ষোভ মিছিল ব্রিকস সম্মেলন: দুই যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে ভারতে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

আদালতে চাঁদাবাজি ও ভাগ-বাঁটোয়ারার বিবরণ দিলেন রিয়াদ

বিজয় একাত্তর ডেক্স ★ / ৪৩৬ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

শেয়ার করুন………………
রাজধানীর গুলশানে সাবেক এমপি শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা।

রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) বিচারক মো. সেফাত উল্লাহর খাস কামরায় তিনি এ জবানবন্দি দেন।

একই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাকি তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এ তিন জন হলেন- ইব্রাহিম হোসেন, মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাব।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাঈন উদ্দিন চৌধুরী।

আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক সদস্য আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফরের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করার কথা স্বীকার করেন।

গত ২৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রিয়াদকে এই মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ডে শেষে আদালতে হাজির করার পর তিনি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে চাঁদাবাজির ঘটনায় নিজের ভূমিকা ও সহযোগীদের কার কী ভূমিকা, তা বর্ণনা করেছেন বলে জানা গেছে।

আদালতের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, রিয়াদ তার জবানবন্দিতে বলেছেন, তিনি ও তার সহযোগীরা প্রথমে ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেন। এই টাকার মধ্যে রিয়াদ নিজে পাঁচ লাখ টাকা রাখেন। অন্য ৫ লাখ টাকা অন্যদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করে দেন। নিজের পাঁচ লাখ টাকা তিনি তার বাড্ডার বৈঠাখালির একটি বাড়ির সাততলা রুমে রাখেন। সেখান থেকে কিছু টাকা তিনি খরচ করেন। আর ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ওয়ার্ডরোবের মধ্যে রাখেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর পুলিশ ওই টাকা উদ্ধার করেছে।

জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, পুলিশের উদ্ধার করা পুরো টাকাটাই শাম্মী আহমেদের বাসা থেকে নেয়া চাঁদার টাকা। রিয়াদ জবানবন্দিতে আরও বলেন, তারা শাম্মী আহমেদের স্বামীকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি ১০ লাখ টাকা দেন।

তিনি স্বীকার করেছেন, তার সহযোগী গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, সদস্য মো. সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব গত ২৬ জুলাই বাদীর কাছ থেকে আরও ৪০ লাখ টাকা নিতে গুলশানের বাসায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। এই পাঁচজনসহ আরও দুই-তিনজন চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিলেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

জবানবন্দিতে রিয়াদ বলেছেন, তিনি নিজে ও জানে আলম অপু চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিয়েছেন। তারা গুলশানের আরও কয়েকজনের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছেন বলেও স্বীকার করেছেন।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd