• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম আদালত চলাকালে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক !

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোহিদুল ইসলাম বরখাস্ত !

এস এম আলী খাঁন ★ / ১০৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

দীর্ঘদিন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ) মো. তোহিদুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. তোহিদুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসকের সনদ সংযুক্ত করে ১০ দিনের ছুটির আবেদন পাঠালেও তার অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এসময় তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে একাধিক নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি সাক্ষ্য দিতে হাজির হননি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউপির বাসিন্দা তিনি। তার আপন বড় ভাইও কর্তৃপক্ষকে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। কোন সন্ধান ও নেই, কি অবস্থায় আছে আমরা কিছুই জানিনা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অনুমতি ছাড়া ৬০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়নের’ অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।

পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আনা ‘পলায়নের’ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদন দেন। এরপর দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তাতেও তিনি সাড়া দেননি।

তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগের গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার পর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। পরে বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামতের জন্য পাঠানো হলে কমিশনও বরখাস্তের পক্ষে মত দেয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি গত ১২ জুলাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুসারে মো. তোহিদুল ইসলামকে ‘পলায়ন’-এর দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd