• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম আদালত চলাকালে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক !

প্রধান উপদেষ্টাকে ৫ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য

এস এম আকবর আলী ★ / ২৪৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

শেয়ার করুন এবং ফলো করুন………………
কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে বা ‘ত্রুটিপূর্ণ’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) পুনরায় চালু করা হলে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে না বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন কংগ্রেসম্যান।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এই উদ্বেগের কথা জানান। তবে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এখনও এই চিঠি হাতে পায়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য গ্রেগরি ডব্লিউ মিকসসহ পাঁচ আইনপ্রণেতা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। এ চিঠি গতকাল ‘হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির’ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে কংগ্রেসম্যানরা বলেন, ‘জাতীয় সংকটের মুহূর্তে নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাল ধরতে আপনার [ড. ইউনূস] এগিয়ে আসাকে আমরা স্বাগত জানাই।

তবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাজ করা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অত্যাবশ্যক।’ তারা বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন যে, সরকার যদি রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করে বা ত্রুটিপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনরায় চালু করে, তবে এই লক্ষ্য [অবাধ নির্বাচন] অর্জন সম্ভব হবে না।’

চিঠিতে বলা হয়, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এবং অন্যান্য অনেক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক উল্লেখ করেছেন যে, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু ছিল না। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের এক তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে বিক্ষোভ চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আনুমানিক ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।

কংগ্রেসম্যানরা বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ডের প্রকৃত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করবে; প্রতিশোধের কোনো চক্রকে নয়।’

তারা বলেন, ‘সংগঠন করার স্বাধীনতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় সামষ্টিক নয়, বরং ব্যক্তির—এটা মৌলিক মানবাধিকার। আমরা উদ্বিগ্ন যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বা অপরাধী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের ওপর দৃষ্টি না দিয়ে কোনো একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত এসব নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’

বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরত্বপূর্ণ অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, ‘আমরা আশা করি আপনার সরকার বা পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জনগণ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সরকার বেছে নেওয়ার অধিকার রাখে, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারবে।’

আগামী মাসগুলোতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয় চিঠিতে।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী অন্য কংগ্রেসম্যানরা হলেন—সাউথ ও সেন্ট্রাল এশিয়া বিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারম্যান বিল হুজেনগা, একই সাবকমিটির র‍্যাঙ্কিং মেম্বার সিডনি কামলাগার-ডাভ এবং কংগ্রেস সদস্য জুলি জনসন ও টমাস আর সুজি।

সরকারের অবস্থান…………………..

কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচন সম্ভব হবে না—যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ কংগ্রেসম্যানের এমন চিঠির জবাবে সরকারের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, বিচারের আগে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা চিঠিটি এখনো পাইনি। তবে আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের একটি অবস্থান রয়েছে। সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। বিচারের আগে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd