• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে।। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে নয় বিমসটেকের প্রধান হিসেবে দাওয়াত দিয়েছিল ভারত: রিজভী ঢাবি থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে মিছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হলো ঐতিহাসিক ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে তিন নদীর পানি, তলিয়েছে বহু গ্রাম কর পরিশোধ মামলার রায়, ইউনূসের সব অপকর্মের বিচারের পথ খুলে দিল? মা খুব কষ্ট হচ্ছে, ছাত্রের আকুতি আমাকে নিয়ে যাও’।। মাদ্রাসায় তিন মাস ধরে নিয়মিত শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ছাত্র একদিনেই সারাদেশে ৫০ টিরও বেশি স্থানে আ’লীগে বিক্ষোভ মিছিল ব্রিকস সম্মেলন: দুই যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে ভারতে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

বিশাল চাপে পাকিস্তান ! ঋন পরিশো করতে হবে সৌদির ৬.৩ বিলিয়ন

বিজয় একাত্তর অনলাইন ডেক্স ★ / ২৫০ Time View
Update : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন…. ………….
সৌদি আরব পাকিস্তানের কাছে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার ঋণের তাৎক্ষণিক পরিশোধ দাবি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে (Saudi Pakistan loon। এই দাবির পেছনে রয়েছে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অমান্যতা। গত বছর সেপ্টেম্বরে রিয়াদে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সলমন এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের উপস্থিতিতে এই ‘স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেকোনো এক দেশের ওপর আগ্রাসন হলে তা অন্য দেশের ওপরও আগ্রাসন বলে গণ্য হবে। এটি ছিল দশকের পর দশক ধরে চলে আসা সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার একটি আনুষ্ঠানিক রূপ।কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে এই চুক্তির প্রতিশ্রুতি পালনে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো সক্রিয় পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সৌদি আরবের ওপর ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা চলছে বলে খবর, যার মধ্যে তেল স্থাপনা এবং এমনকি রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুক্তির অধীনে সমন্বিত পদক্ষেপের কথা বলেছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো সামরিক সহায়তা বা সরাসরি সমর্থনের ঘোষণা আসেনি। এই নীরবতা সৌদি কর্তৃপক্ষকে ক্ষুব্ধ করেছে।সূত্রের খবর, সৌদি কর্মকর্তারা এখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

ফোন, ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেল সবকিছুতেই নীরবতা। এই অবস্থায় রিয়াদের শীর্ষ মহল থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, যেহেতু পাকিস্তান চুক্তির মূল অংশ পালন করছে না, তাই সৌদি আরবের দেওয়া পুরনো ঋণের পরিশোধ ত্বরান্বিত করতে হবে। ২০১৮ সালে সৌদি আরব পাকিস্তানকে ৬ বিলিয়ন ডলারের একটি প্যাকেজ দিয়েছিল, যার মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা এবং ৩ বিলিয়ন ডলার তেল সরবরাহ ডিফার্ড পেমেন্টে।

পরবর্তীতে এই পরিমাণ আরও বেড়েছে, রোলওভার হয়েছে, এবং সাম্প্রতিক হিসাবে মোট ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে।পাকিস্তানের অর্থনীতি এমনিতেই চরম সংকটে। আইএমএফ-এর সঙ্গে ৭ বিলিয়ন ডলারের প্রোগ্রাম চলছে, বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ নিম্নমুখী, এবং ঋণ পরিশোধের চাপ অসহনীয়। এর মধ্যে সৌদি আরবের মতো মিত্র দেশের কাছ থেকে এমন কড়া দাবি আসা পাকিস্তানের জন্য আরও বড় ধাক্কা।

কয়েক মাস আগে পাকিস্তান সৌদি ঋণের একাংশকে জেএফ-১৭ ফাইটার জেট সরবরাহের বিনিময়ে কনভার্ট করার প্রস্তাব দিয়েছিল। এতে ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণকে অস্ত্র কেনায় রূপান্তরিত করার কথা ছিল, যা দুই দেশের সামরিক সহযোগিতাকে আরও গভীর করত। কিন্তু সেই আলোচনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি পক্ষ নগদ পরিশোধের ওপর জোর দিচ্ছে।

এই ঘটনা পাক-সৌদি সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে এসেছে, ভাইচারা ও ইসলামী সংহতির নামে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সৌদিতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, সৌদি সেনাদের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সৌদি আরব আর শুধু ‘একতরফা দাতা’ থাকতে চায় না। তারা চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন চায়, বিশেষ করে যখন নিজেরা নিরাপত্তা হুমকির মুখে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd