শেয়ার করুন এবং ফলো করুন…………….
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ইতোমধ্যে ৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ঢাকার বংশালেই ভবনের রেলিং ধসে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ২ জন এবং নরসিংদীতে একজন নিহত হওয়ার তথ্য মিলেছে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৭। যেটিকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী।
সাধারণত ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে আফটারশক (মূল ভূমিকম্পের পর হওয়া ছোট ছোট কম্পন) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে শুক্রবারের এ ভূমিকম্পে আফটারশকের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে আঘাত হানা ভূমিকম্পটি মধ্যম বা মডারেট মাত্রার। এর শক্তি খুব বেশি নয়, কিন্তু অনেক বেশি অনুভূতি হয়। এ ভূমিকম্পে আপাতত আফটারশকের কোনো শঙ্কা নেই।
এই আবহাওয়াবিদ জানান, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কিছু কিছু সময় আফটারশকের আশঙ্কা থাকে। তবে সবসময় এটি তীব্র হয় না।
এর আগে চলতি বছরের ৫ মার্চ রাজধানীতে মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। তারও আগে ২৮ মে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টা ২৪ মিনিটের দিকে ভারতের মণিপুর রাজ্যের মোইরাং শহরের কাছাকাছি এলাকায় আরেকটি ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ওই সময়ও ভূমিকম্পে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পে বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানেও কম্পন অনুভূত হয়। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় এই কম্পন অনুভূত হয়। এছাড়াও সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে পাকিস্তানেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল ১৩৫ কিলোমিটার গভীরে।
https://shorturl.fm/cMu9V
https://shorturl.fm/iVoi7