• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম

শোক প্রকাশ করায়, আক্রমণ-গ্রেপ্তার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন….. আসক

বিজয় একাত্তর ডেক্স ★ / ৩০৪ Time View
Update : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

শেয়ার করুন………………..
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, সাধারণ নাগরিককে শোক প্রকাশ করতে আসার কারণে শারীরিকভাবে আক্রমণ ও পরবর্তীতে কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন। একজন নাগরিক কোথায় যাবে, কোথায় যাবে না–তা নির্ধারণ করার অধিকার কেবল সংবিধান প্রদত্ত স্বাধীনতার মাধ্যমে নাগরিকেরই থাকবে। অন্য কেউ বা রাষ্ট্রীয় সংস্থা এটি নির্ধারণ করতে পারে না বলে জানিয়েছে আসক।

আজ রোববার আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই বিবৃতে জানানো হয়েছে, ‘‘গত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে শোক জানাতে গিয়ে অন্য অনেক নাগরিকের মত মো. আজিজুর রহমান নামে একজন রিকশাচালকও মব সন্ত্রাসের শিকার হয়। ‘মব সন্ত্রাসীরা’ ১৪ আগস্ট রাত থেকেই ৩২ নম্বরে অবস্থান নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত ফোন তল্লাশি এবং জিজ্ঞাবাদের নামে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে থাকে এবং বাধাহীনভাবে ১৫ আগস্ট সারাদিন যা অব্যাহত রাখে। এ ধরনের বেআইনি তৎপরতায় লাঞ্ছনার শিকার হতে দেখা গিয়েছে নারী পুরুষ অনেককে। এরমধ্যে শোক জানাতে আসা রিকশাচালক আজিজুর রহমানকে মারধর করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের হাতে তুলে দেয় ‘মব সন্ত্রাসীরা’।

এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আসক পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আশ্চর্যজনকভাবে, ধানমন্ডি থানায় পূর্বে দায়েরকৃত জুলাই ছাত্র আন্দোলনের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘সন্দিগ্ধ আসামি’ হিসাবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। এ ঘটনায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

আসকের ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জুলাই আন্দোলনে দায়েরকৃত মামলা সমূহ অনেক নিরীহ নিরপরাধ নাগরিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রেক্ষিতে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বারবার দাবি করছে যে জুলাই আন্দোলনে দায়ের হওয়া মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কেবল শোক জানাতে আসা একজন সাধারণ নাগরিককেও একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বিষয়টি শুধু নিন্দনীয় নয়, এটি সরকারের নিজস্ব ঘোষিত নীতি ও নাগরিকের প্রতি অঙ্গীকারেরও ঘোরতর বরখেলাপ।

আসক আরো মনে করে, ‘শোক প্রকাশ করা বা না করা, যে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ, সমর্থন বা মৌনতা এবং মতপ্রকাশ-এসব নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এ অধিকার দমন করা মানে সংবিধান ও মানবাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্র যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমনপীড়নে লিপ্ত হয় তবে তা শুধু অগ্রহণযোগ্য নয়, গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd