• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে।। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে নয় বিমসটেকের প্রধান হিসেবে দাওয়াত দিয়েছিল ভারত: রিজভী ঢাবি থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে মিছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হলো ঐতিহাসিক ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে তিন নদীর পানি, তলিয়েছে বহু গ্রাম কর পরিশোধ মামলার রায়, ইউনূসের সব অপকর্মের বিচারের পথ খুলে দিল? মা খুব কষ্ট হচ্ছে, ছাত্রের আকুতি আমাকে নিয়ে যাও’।। মাদ্রাসায় তিন মাস ধরে নিয়মিত শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ছাত্র একদিনেই সারাদেশে ৫০ টিরও বেশি স্থানে আ’লীগে বিক্ষোভ মিছিল ব্রিকস সম্মেলন: দুই যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে ভারতে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

সরকারের সমর্থন ও অপশাসনে ২০২৫ ভিন্নমতের মৃত্যু ও ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসের বছর

এস এম আকবর আলী ★ / ৪২৫ Time View
Update : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"curves":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন এবং ফলো করুন……………….
২০২৫ সালে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ছিল বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বিশেষ করে গণপিটুনি (মব ভায়োলেন্স), রাজনৈতিক সংঘর্ষ, কারা হেফাজতে নির্যাতন ও অবহেলা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

আসকের ২০২৫ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর গণপিটুনিতে নিহতের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে ১৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১২৮ জন অর্থাৎ এক বছরে মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ৫৪ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের গণপিটুনির অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছিল আগস্ট মাসের পর। এটি মূলত বর্তমান সরকারের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশে বিদ্যমান আইনহীনতা এবং নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার বীভৎস চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

কারাগারে মৃত্যুর হারও উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে হেফাজতে ১০৭ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে, যা ২০২৪ সালের (৬৫ জন) তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি।

এই মৃত্যুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিচলিত করার মতো বিষয় হলো—নিহতদের একটি বড় অংশই ছিলেন রাজনৈতিক বন্দি। ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগের অন্তত ২৪ জন নেতা-কর্মী কারাগারে মারা গেছেন। নিহতের স্বজনরা পুলিশ ও কারা হেফাজতে নির্যাতন, সুচিকিৎসা না দেওয়া এবং কারা কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনাগুলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরে পদ্ধতিগত নির্যাতন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

সারা বছর তথাকথিত ‘ক্রসফায়ারের’ নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও অব্যাহত ছিল। আসকের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে এ ধরনের অন্তত ৩৮টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ২৬ জন যৌথ বাহিনীর কথিত বন্দুকযুদ্ধ বা হেফাজতে থাকা অবস্থায় নির্যাতনে মারা গেছেন এবং ১২ জন বিভিন্ন থানায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সরাসরি হেফাজতে থাকা অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা এখনও প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক সহিংসতাও ছিল ব্যাপক ও প্রাণঘাতী। ২০২৫ সালে এ সংক্রান্ত অন্তত ৪০১টি ঘটনায় ১০২ জন নিহত এবং ৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই সহিংসতার বেশিরভাগই ঘটেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে। এছাড়া বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যেও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সামগ্রিকভাবে এই পরিসংখ্যানগুলো বাংলাদেশে এক গভীর মানবাধিকার সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে আইনের শাসন বিলুপ্ত হচ্ছে এবং সহিংসতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি বাড়ছে। ২০২৫ সালের এই তথ্যগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার এক সামগ্রিক ব্যর্থতার প্রতিফলন। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় এখন জরুরিভিত্তিতে স্বচ্ছ জবাবদিহিতা, নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সকল শ্রেমী পশার মানুষ ।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd