দৈনিক বিজয় একাত্তর এর প্রকাশক ও সম্পাদক এস এম –
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম আকবর আলীর
বিশেষ কলাম : সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায় —
সাংবাদিক ও কলাম লেখক বিভুরন্জন সরকারের মরদেহ সতীলক্ষ্যায় ভেসে উঠে। এর মৃত্যার পিছনে কার হাত রয়েছে? সকালে অফিস গেলো আর পরদিন পাওয়া গেল তার নিথর মরদেহ। এ-ই তো ক দিন আগে গাজীপুরে জীবন দিতে হল সন্ত্রসীদের হাতে সাংবাদিক তুহিনকে।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়? হাবিবুর রহমান ভুইয়া অত্যন্ত বেদনা ভারাক্রান্ত কন্ঠে টেলিফোনে বললেন সাংবাদিক তুহিনের নির্মমভাবে খুন হওয়ার কথা! রাত পোনে। আটটায় পুলিশ ও জনতা সামনে মসজিদ মার্কেট গাজীপুরে এই প্রকাশ্য হত্যাকান্ডের ঘটোনা ঘটে? যা বিবেকবান যে কাউকেই বিস্মিত করেছে। চাঁদাবাজীর বিরদ্ধে রুখে দাড়ানোর কথা পুলিশ এবং বিভিন্ন দলের। কিন্তু পুলিশ এবং দলগুলোর সমন্বয়ে চাঁদাবাজি হচ্ছে দেশজুড়ে যা আজ জনম্বীকৃত। অথচ দলের নেতা বা নীতি নির্ধারক এবং পুলিশের আইজিপি ও কমিশনার এসপি ডি আই জি নিরস্পায়? সেনাবাহিনীর সদস্যরাও অনেকটা নীরব নিক্রিয়! এদিকে সাংবাদিকদের মধ্যেও নেই একতা? বিভিন্ন দলের দলদাস হয়েও তারা চীদাবাজী করে থাকে বিভিন্ন সময় অভিযোগ পাওয়া যায়! সবমিলে দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি অনেকটাই সংকটময় ।
শিক্ষার্থী জনতার বিপ্লব বা গণঅভ্যু্থানের পর বিপ্লবী শিক্ষার্থী জনতার ইচ্ছায় এবং সমর্থনে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তরবতা্কালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট ২০২৪। গত ৮ আগস্ট ২০২৫। এক বছরে সরকারের সফলতার চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লা অনেক ভারী? যা
বিপ্রবের উদ্যেশ্য লক্ষকে ব্যহত করেছে? জনতা কি দেখছে? মানুষ কিভাবে প্রকাশ্যে জীবন দিচ্ছে? আজকে সাংবাদিক বিভু রন্জন জীবন দিতে হল আর ক’দিন আগে সাংবাদিক তুহিন কিভাবে জীবন দিলো? দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আবার শিক্ষার্থী জনতাকে এক হয়ে রুখে দাঁড়াতেহবে। সন্ত্রাস চাদাবাজী হত্যা জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের বিরদ্ধে! সব সাংবাদিক হত্যার দ্রুত শাস্তি দাবি করছি! আর বলছি যা আমি ১৯৮৬ সাল থেকেই বলে আসছি / দিন আসবেই / দিন বদলের। বদলা নিতে/ হবে নিহত সকলের / – ইনশা আল্লাহ!
২০ আগস্ট ২০২৫