• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম আদালত চলাকালে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক !

৪৫ বছর যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন জিয়াউর রহমানকে হত্যায় অভিযুক্ত মোজাফফর হোসেন

এস এম আলী খাঁন ★ / ৮৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যায় অভিযুক্ত পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শাল সম্পন্ন করার জন্য তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেন দীর্ঘসময় ধরে প্রতিবেশী ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে ছদ্মনাম ব্যবহার করে তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন। সবশেষ বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। ঘটনার আগের দিন, অর্থাৎ ১৯৮১ সালের ২৯ মে দুই দিনের সফরে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল নিজের প্রতিষ্ঠা করা রাজনৈতিক দল-বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যকার বিরোধ নিরসন করা।

চট্টগ্রামে পৌঁছে সফরের প্রথম দিনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক শেষে মধ্যরাতে ঘুমাতে যান জিয়াউর রহমান। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেনাবাহিনীর একটি দল তার ওপর গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেক এই রাষ্ট্রপতি নিহত হন। পরবর্তীতে ৩০ মে সকালে রেডিওতে প্রথমবারের মতো জিয়াউর রহমানকে হত্যার খবর প্রচারিত হয়।

এই হত্যাযজ্ঞে সরাসরি অংশ নেয়া সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন অন্যতম। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর তিনিই চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোন করে জানান, ‘The President has been killed.’

হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে মঞ্জুর নিহত হন। এছাড়া ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে তখন মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd