• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

রাবি উপ-উপাচার্যের ফেসবুক স্টোরিতে চাকরিপ্রার্থীর প্রবেশপত্র, সুপারিশকারী সাবেক জামায়াত এমপি

রাজশাহী প্রতিনিধি ★ / ৪৪৪ Time View
Update : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

শেয়ার করুন……………..
রাবি উপ-উপাচার্যের ফেসবুক স্টোরিতে চাকরিপ্রার্থীর প্রবেশপত্র, সুপারিশকারী সাবেক জামায়াত এমপি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন খানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার এক প্রার্থীর ভাইভার প্রবেশপত্র ডে স্টোরি হিসেবে প্রকাশ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল শনিবার (২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এই স্টোরিটি প্রকাশিত হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা পর তা মুছে ফেলা হয়। স্টোরিতে প্রকাশিত প্রবেশপত্রে দেখা যায়, প্রার্থী আজমীরা আরেফিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য ৪ আগস্ট সকাল ১০টায় উপাচার্যের বাসভবনে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। প্রবেশপত্রটিতে সুপারিশকারী হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য মো. লতিফুর রহমানের স্বাক্ষর রয়েছে।

তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, মো. লতিফুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমীর এবং একসময় রাবি শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

স্টোরিটি সরিয়ে নেওয়ার পর অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান একটি ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার ফেসবুক স্টোরিতে কীভাবে একজন আবেদনকারীর প্রবেশপত্র আপলোড হলো, তা বুঝতে পারিনি। আমার ছেলে কিছু সময় মোবাইলে গেম খেলছিল, সম্ভবত তখনই এটি ভুল করে আপলোড হয়েছে। আমি দুঃখিত।’

তিনি আরও জানান, রুয়েট নির্বাচনের সময় সাবেক এক এমপির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই এমপি ফোনে পরিচিত এক প্রার্থীর বিষয়ে কথা বলেন এবং প্রবেশপত্রটি পাঠান। উপ-উপাচার্য দাবি করেন, ‘এ ধরনের সুপারিশ ছাত্র, শিক্ষক, বন্ধু, সহকর্মী, রাজনীতিকসহ অনেকেই করে থাকেন। বর্তমানে আমার অফিসে এবং মোবাইলে এমন অনেক সুপারিশ রয়েছে। তবে এগুলো কোনোভাবেই লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় প্রভাব ফেলে না।

তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত স্টোরি প্রকাশের ঘটনায় সবাইকে ভুল না বোঝার অনুরোধ জানান এবং দুঃখ প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd