• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তরুণের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বজনরা, বিএনপি নেতা কর্মীদের বেধড়ক পিটনিতে তৌফিকের মৃত্যু হয় বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা তত্বাবধায়ক কে হবেন তা জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্রিপ্টো লেনদেনে ১৩তম স্থানে বাংলাদেশ ভারতকে শেখ হাসিনার ধন্যবাদ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত

হাইকোর্টে ভুয়া ডিগ্রিতে পাঁচ বছর বিচারপতি !

বিজয় একাত্তর আন্তরজাতিক ডেক্স ★ / ১৮৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন……………..
পাকিস্তানের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও লজ্জাজনক কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ইসলামাবাদের উচ্চ আদালতে বিচারপতির আসনে বসে রায় দিয়েছেন তিনি, অথচ কেউ টেরই পায়নি যে তাঁর ওকালতির ডিগ্রিটিই ছিল ভুয়া! ইসলামাবাদ হাইকোর্ট গত সোমবার এক ঐতিহাসিক ১১৬ পৃষ্ঠার রায়ে সেই ‘ভুয়া’ বিচারপতি তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরীকে পদচ্যুত করেছে।

ওকালতির কোনো বৈধ ডিগ্রি ছাড়াই হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এবং পাঁচ বছর ধরে রায় প্রদান করার এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটিয়েছেন তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গীরি। ইসলামাবাদ হাইকোর্ট তাঁর আইনবিদ্যার ডিগ্রিটিকে শুরু থেকেই ‘বাতিল এবং অকার্যকর’ ঘোষণা করেছে। এর ফলে বিচারপতি হিসেবে তাঁর নিয়োগটি এখন আইনিভাবে অবৈধ হয়ে পড়েছে।

করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাহাঙ্গীরির পুরো শিক্ষাজীবনই ছিল জালিয়াতির জালে ঘেরা। রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ সালে তিনি একটি ভুয়া এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষায় বসেন এবং নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। শাস্তি মাথা পেতে না নিয়ে তিনি পরের বছরই জালিয়াতির আশ্রয় নেন। ‘ইমতিয়াজ আহমেদ’ নামক এক ছাত্রের এনরোলমেন্ট নম্বর চুরি করে ‘তারিক জাহাঙ্গিরী’ নামে আবারও পরীক্ষায় বসেন তিনি।

সরকারি ইসলামিয়া ল কলেজের অধ্যক্ষ আদালতকে জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীরি কখনোই সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হিসেবে ভর্তি হননি। আদালত জানিয়েছে, জাহাঙ্গীরিকে তাঁর মূল নথিপত্র এবং লিখিত জবাব পেশ করার জন্য একাধিক সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনো প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন।

হামলা হলে চড়া মাশুল! যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কড়া বার্তা ইরানেরহামলা হলে চড়া মাশুল! যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কড়া বার্তা ইরানের

উল্টো মামলা দীর্ঘায়িত করতে তিনি নানা ‘ছলচাতুরির’ আশ্রয় নেন। কখনও ফুল বেঞ্চের দাবি, কখনও প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চাওয়া, আবার কখনও সিন্ধু হাইকোর্টে মামলা ঝুলে থাকার অজুহাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য শুনানি পেছানোর আবেদন করেছেন তিনি।

আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যেহেতু আবেদনকারী জালিয়াতির অকাট্য প্রমাণ পেশ করেছেন, তাই নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেয়ার দায়ভার ছিল জাহাঙ্গীরির ওপর। তা করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, তিনি একজন চরম জালিয়াত এবং আইনত বিচারপতি হওয়ার যোগ্য নন।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে জাহাঙ্গীরি নিয়োগ পান। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর বিচারিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও গত সোমবারের রায়ের মাধ্যমে তাঁকে চূড়ান্তভাবে অপসারিত করা হলো।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd