• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আদালতে বিধবা গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২১৫ কোটি ঘনফুট এক বছরেই দুর্নীতি ২,৭১১ কোটি টাকার এনসিটিবি রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলেও যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র ঝুঁকিতে পড়বে : ডব্লিউএফপি শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ , দৈনিক বিজয় একাত্তর নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম আদালত চলাকালে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক !

নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, ৫০ অঙ্গরাজ্যে ৩০০০ স্থানে লাখো মানুষ

বিজয় একাত্তর অনলাইন ডেক্স ★ / ১১৭ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন……………
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নজিরবিহীন প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ঢেউ উঠেছে ‘নো কিংস’ আন্দোলন ঘিরে। রাজধানী ওয়াশিংটন থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস, মিনেসোটা থেকে নিউইয়র্ক-সব অঙ্গরাজ্যেই হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন-বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ এবং সামরিক পদক্ষেপগুলো কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও আইনের শাসন লঙ্ঘন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সিএনএসসহ একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৫০টি অঙ্গরাজ্যে তিন হাজারেরও বেশি স্থানে এই বিক্ষোভ হয়েছে এবং এতে লাখো মানুষের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, ডালাস, ফিলাডেলফিয়া এবং মিনিয়াপোলিসসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক জনসমাগম হয়। এমনকি ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকাতেও অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিক্ষোভের মূল কারণ: এই ‘নো কিংস’ আন্দোলনের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। এদের মধ্যে রয়েছে-ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ, কঠোর অভিবাসন অভিযান, রাষ্ট্রক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, ‘দেশে কোনো রাজা থাকতে পারে না, জনগণই সর্বোচ্চ ক্ষমতার উৎস।’

বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ‘স্বৈরাচারী প্রবণতা’ ও একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিরুদ্ধেই গড়ে উঠেছে। কিছু এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস ও ডালাসে সংঘর্ষ ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিক্ষোভ শুধু অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ নয়, বরং আসন্ন নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর বাড়তে থাকা রাজনৈতিক চাপেরও প্রতিফলন।

একইসঙ্গে ইরান যুদ্ধ, জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা-সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দ্রুত বাড়ছে। ‘নো কিংস’ আন্দোলন প্রথম শুরু হয় ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে, যখন তার নীতিকে ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ বলে অভিযোগ ওঠে। ২০২৫ সাল থেকেই এই আন্দোলন ধারাবাহিকভাবে বড় আকার ধারণ করে এবং ২০২৬ সালে এসে তা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন এখন শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ নয়-এটি যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্র, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং নাগরিক অধিকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক গভীর বিতর্কের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd