• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে।। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে নয় বিমসটেকের প্রধান হিসেবে দাওয়াত দিয়েছিল ভারত: রিজভী ঢাবি থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে মিছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হলো ঐতিহাসিক ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে তিন নদীর পানি, তলিয়েছে বহু গ্রাম কর পরিশোধ মামলার রায়, ইউনূসের সব অপকর্মের বিচারের পথ খুলে দিল? মা খুব কষ্ট হচ্ছে, ছাত্রের আকুতি আমাকে নিয়ে যাও’।। মাদ্রাসায় তিন মাস ধরে নিয়মিত শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ছাত্র একদিনেই সারাদেশে ৫০ টিরও বেশি স্থানে আ’লীগে বিক্ষোভ মিছিল ব্রিকস সম্মেলন: দুই যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে ভারতে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বনেতারা

ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এনসিপি !… জাহিদুর রহমান

বিজয় একাত্তর ডেক্স ★ / ২৪১ Time View
Update : শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

শেয়ার এবং ফলো করুন…………….
জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জামায়াতের নির্বাচনী জোটের কারণে এনসিপি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ-উর রহমান।

তিনি সতর্ক করেছেন, দলের স্বতন্ত্র সত্তা এবং নির্বাচনী প্রভাব হারানোর কারণে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।
জাহেদ-উর রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে মিডিয়ার নজর এনসিপির দিকে ছিল। স্বতন্ত্র বক্তব্য, ইশতেহার এবং প্রার্থী প্রচারণার মাধ্যমে দলটি জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারত। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জামায়াতের সঙ্গে জোট হওয়ায় এসব সুযোগ তারা হারিয়েছে। এখন প্রচারণার মূল ফোকাস জামাতের ইশতেহার এবং বক্তব্যে, এনসিপির নিজস্ব বক্তব্য মিডিয়ায় প্রতিফলিত হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, কিছু নির্বাচনী সভায় জামাতের নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন, যেখানে এনসিপির আহ্বায়ক বা নেতা উপস্থিত থাকলেও মিডিয়ায় তাদের প্রচারণা বা বক্তব্যের ট্র্যাকশন নেই। নির্বাচনী সময় দলকে আলাদা সত্তা হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ তারা হারিয়েছে। এতে এনসিপির জনসংযোগ এবং রাজনৈতিক প্রভাব অনেকাংশে সীমিত হচ্ছে।

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করান, যদি এনসিপি স্বতন্ত্র জোট গড়ে তাতেও ২০০–৩০০টি সিটে প্রার্থী দিয়ে জনসংযোগের সুযোগ তৈরি করত, তাহলে দলের সংগঠন অনেক শক্তিশালী হতো। প্রতিটি প্রার্থী জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করত এবং দলের প্রতি ভরসা ও পরিচিতি বৃদ্ধি পেত। এছাড়াও, স্বতন্ত্র ইশতেহার প্রকাশের মাধ্যমে দলের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জনগণের কাছে স্পষ্ট হতো।

জাহেদ-উর রহমান বলেন, নির্বাচনের পরও যদি এনসিপি জোট থেকে আলাদা হয়ে নিজের রাজনীতি শুরু করে, তা হলে কিছুটা প্রভাব সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণার সময় সুযোগ হারানোর ফলে তাদের প্রাথমিক শক্তি এবং জনসংযোগের সম্ভাবনা ক্ষয় হয়েছে। বর্তমানে এনসিপি জোটের ছায়ায় কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হচ্ছে।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, এনসিপি যদি ভবিষ্যতে তাদের স্বতন্ত্র পরিচয়, জনসংযোগ এবং রাজনৈতিক কৌশল পুনঃপ্রতিষ্ঠা না করে, তাহলে দলটির শক্তি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে থাকবে। নির্বাচনী কৌশল এবং মিডিয়ায় উপস্থিতি শক্তিশালী না হলে দল রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে যাবে।

জাহেদ-উর রহমানের বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে, এনসিপি যদি নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও জনসংযোগের গুরুত্ব উপলব্ধি না করে, আগামী নির্বাচনে দলের জন্য চ্যালেঞ্জ এবং রাজনৈতিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে না।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd